
ত্রিধারে তরঙ্গলীলা
তিন জোড়া বন্ধুর জীবন, অপ্রকাশিত ভালোবাসা আর পারিবারিক জটিলতার টানাপোড়েনে শুরু হয় এক মানসিক ঝড়। জেদ, অহংকার আর দূরত্বের দেয়াল ভেঙে কি শেষ পর্যন্ত সুহাস-নামী, সৌধ-সিমরান ও আইয়াজ-ফারাহর প্রেম পূর্ণতা পাবে, নাকি নিয়তির নিষ্ঠুর তরঙ্গে হারিয়ে যাবে সব প্রাপ্তি?
সিজন ১ সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে (মোট ৯০ পর্ব)। সম্পূর্ণ উপন্যাসটির প্রতিটি পর্ব বিনামূল্যে সরাসরি অনলাইনে পড়ার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে।
গল্পের বিশেষত্ব ও হাইলাইটস
ত্রয়ী সম্পর্কের বহুমাত্রিক দ্বন্দ্ব
তিনটি ভিন্ন ধারার ভালোবাসার গল্প—একদিকে ভুল বোঝাবুঝির দূরত্ব, অন্যদিকে একতরফা ভালোবাসার ত্যাগ ও নিরাময়ের গল্প।
চিকিৎসক জীবনের বাস্তব চালচিত্র
মেডিকেল কলেজের ছাত্রজীবন, ইন্টার্নশিপের টানাপোড়েন এবং পেশাগত বাস্তবতার নিখুঁত সংমিশ্রণ।
পারিবারিক টানাপোড়েন ও অহংকারের লড়াই
অতীতের শত্রুতা ও ভুল সিদ্ধান্তের খেসারত কীভাবে পরবর্তী প্রজন্মের ভালোবাসায় প্রভাব ফেলে তার মনস্তাত্ত্বিক চিত্রায়ণ।
প্রধান চরিত্রসমূহ
6সুহাস খন্দকার
কেন্দ্রীয় নায়ক (Protagonist)চঞ্চল, আবেগপ্রবণ ও মা-ভক্ত তরুণ ডাক্তার। জেদ ও আত্মঅহংকারের বশে বৈবাহিক জীবনে জটিলতা তৈরি করলেও হৃদয়ের গভীরে নামীর প্রতি অতল ভালোবাসা ও পিতৃত্বের ব্যাকুলতা লালন করে।
ডক্টর নামী রহমান
কেন্দ্রীয় নায়িকা (Protagonist)মেধাবী, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও তেজস্বিনী চিকিৎসক। স্বামীর অবিচার ও শ্বশুরবাড়ির অপমান সহ্য না করে নিজের ও অনাগত সন্তানের মর্যাদা রক্ষায় আপসহীন লড়াই চালিয়ে যায়।
ডক্টর সৌধ চৌধুরী
দ্বিতীয় প্রধান নায়ক (Lead Character)এমপি পুত্র ও গম্ভীর কার্ডিওলজিস্ট। নীতিবান ও বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বসম্পন্ন। প্রথম ভালোবাসার হৃদয়বিদারক বিচ্ছেদ সহ্য করে পরবর্তীতে সিমরানের নিঃস্বার্থ ভালোবাসাকে সম্মানের সাথে বরণ করে নেয়।
সাইয়্যারা সিমরান খন্দকার
দ্বিতীয় প্রধান নায়িকা (Lead Character)সুহাসের আদুরে ছোট বোন। চঞ্চল ও আবেগপ্রবণ স্বভাবের হলেও কৈশোর থেকে সৌধকে হৃদয়ের শেষ বিন্দু দিয়ে ভালোবেসে নিজের জীবনের লক্ষ্য পূরণ করে।
ডক্টর আইয়াজ হোসেন
ঘনিষ্ঠ বন্ধু (Supporting Lead)ভদ্র, শান্ত ও নিষ্কলুষ চরিত্রের চিকিৎসক। ফারাহর অতীত ট্রমা ও সামাজিক ক্ষতকে পরম মমতায় আপন করে নিয়ে এক আদর্শ প্রেমিকের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
ফারাহ
সহ-নায়িকা (Supporting Lead)নামীর ঘনিষ্ঠ বান্ধবী ও ট্রমাগ্রস্ত এতিম তরুণী। অতীতের অন্ধকার ভুলিয়ে দিয়ে আইয়াজের নিখাদ ভালোবাসায় নতুন করে জীবন সাজায়।
সূচিপত্র ও সিজনসমূহ
91 টি অধ্যায়
প্রথম খণ্ড: প্রণয়, বিরহ ও পুনর্মিলন
তিন জোড়া তরুণ-তরুণীর বন্ধুত্ব, অপ্রকাশিত টানাপোড়েন, বেদনাদায়ক ট্র্যাজেডি ও পরিশেষে ভালোবাসার এক অভূতপূর্ব বিজয়ের মহাকাব্যিক আখ্যান।
অচেনা ডাকের শিহরণ
সুইজারল্যান্ডের নির্জন রাস্তায় হঠাৎ এক ফুটফুটে শিশুর আধো গলায় 'পাপাহ' ডাক সুহাসের বুকের ভেতর পুরোনো ক্ষতে নতুন করে আগুন ধরিয়ে দেয়। সুদূর জেনেভায় হারিয়ে যাওয়া স্ত্রী নামীর খোঁজে এসে এই শিশুটির সাথে কি জড়িয়ে আছে সুহাসের না-বলা কোনো অতীত?
আড়চোখে দূরন্ত চাহনি
বাবার জেদের মুখে নামীকে বিয়ে করার শর্তে ফেঁসে যাওয়া সুহাস মেসেঞ্জারে বন্ধুদের কাছে সাহায্য চায়। কিন্তু উঠোনে ভেজা কাপড়ে অনন্যা নামীকে আড়াল থেকে ক্যামেরাবন্দি করতে গিয়ে সুহাসের চঞ্চল মনে জন্ম নেয় অদ্ভুত এক চৌম্বক আকর্ষণ। এই খেয়ালি ভালোলাগা কি সত্যি রূপ নেবে পরিণয়ে?
বন্ধনের অদৃশ্য শিহরণ
কোনো প্রকার আইনি প্রস্তুতি ছাড়াই মৌলভি ডেকে তিন কবুল বলিয়ে সুহাস ও নামীকে বেঁধে দেওয়া হয় বৈবাহিক বন্ধনে। নামীর মৃদু কম্পিত নরম হাত নিজের মুঠোয় পুরে সুহাস কি বুঝতে পারে, ভাগ্যের যে খেলায় সে পা বাড়াল তা এক অনন্ত ঝড়ের সূচনা মাত্র?
পথের বাঁকে গোপন অনুভূতি
ভোররাতে গাড়ি নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে নিধিকে আনতে ছুটে চলে সৌধ। বহুদিনের না-বলা একতরফা প্রেম বুকে পুষে রাখা সৌধের মেজাজ বিগড়ে যায় নিধির অসতর্কতায়। অন্যদিকে গ্রামে সুহাসের স্পর্শের শিহরণ ভুলতে না পেরে নামী নিজের অনুভূতির সাথে কোন নতুন যুদ্ধে নামে?
মায়াবী চোখের সম্মোহন
এক মগ কফি ভাগ করে খাওয়া নিয়ে সুহাস ও নামীর খুনসুটি রূপ নেয় তীব্র অস্বস্তিকর এক মোহময় মুহূর্তে। সুহাসের বন্ধুরা গ্রামে পৌঁছানোর পর কালো শাড়িতে আবৃত নামীর কাজলকালো চোখের দিকে তাকিয়ে সুহাস এমন কী উচ্চারণ করে যা তাকে আজীবনের মতো ভাবিয়ে তোলে?
বৃষ্টিভেজা রাতের অনুচ্চারিত শব্দ
২০১ গম্বুজ মসজিদ দর্শনে গিয়ে বন্ধুদের রসিকতা আর সুহাসের হাত ধরার স্পর্শে শিহরিত হয় নামী। কিন্তু ফেরার পথে রাত নামতেই তুমুল বৃষ্টিতে সৌধ আর নিধির মধ্যকার নীরব টানাপোড়েন কোন নিষিদ্ধ অনুভূতির আগুনে ঘৃতাহুতি দেয়?
অপ্রত্যাশিত ঝড়ের মুখোমুখি
কোর্টে তাড়াহুড়ো করে আইনি বিয়ে সেরে নামীকে ঘরে তুলতেই ডক্টর উদয়িনীর রক্তচক্ষুর মুখোমুখি হতে হয় সোহান খন্দকারকে। নামী তার স্বামীর পুরোনো প্রেমিকা নিলুর মেয়ে জানতে পেরে উদয়িনীর সেই আর্তনাদ কি সুহাসের বৈবাহিক জীবনে এক চিরস্থায়ী অভিশাপ হয়ে দাঁড়াবে?
ঘৃণার কঠিন প্রাচীর
মায়ের একতরফা যন্ত্রণার কাহিনী শুনে অন্ধ মাতৃভক্ত সুহাস নামীকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, কিন্তু বাবার হুঙ্কারে সে সিদ্ধান্ত থমকে দাঁড়ায়। পাঁচ মাস পর মেডিকেল কলেজের ক্যাম্পাসে জুনিয়র নামীকে র্যাগিংয়ের ছলে সুহাস সকলের সামনে চিৎকার করে 'আই হেইট ইউ' বলে কেন স্তব্ধ করে দিল পুরো প্রাঙ্গণ?
ক্যাম্পাসে চাপা দাবানল
একই ছাদের নিচে থেকেও সুহাস ও নামীর মাঝে দাঁড়িয়েছে দূরত্বের শক্ত দেয়াল। ক্যাম্পাসে নামীকে জ্বালাতে একের পর এক বান্ধবী নিয়ে আড্ডা দেয় সুহাস। এদিকে নিধিকে এলাকার কিছু ছেলে উত্ত্যক্ত করেছে শুনে সৌধ কেন ভয়ংকর এক প্রতিশোধের আগুন বুকে চেপে ক্যাম্পাসে নামে?
অধিকারের তীব্র আস্ফালন
অর্পণ স্যারের প্রতি নিধির মুগ্ধতা সৌধের বহুদিনের লুকানো অধিকারবোধকে উন্মাদ করে তোলে; নিধির বাহু চেপে ধরে সে যে চরম হুমকি দেয়, তা কি তাদের বন্ধুত্বকে ভেঙে চুরমার করে দেবে? ওদিকে বাড়িতে ফাঁকা ঘরে সুহাস ও নামীর বিড়াল-বেজির ঝগড়া কোন অদ্ভুত মোড় নেয়?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
ছাদের কার্নিশে লুকোচুরি
ছাদে নামীর ভেজা কাপড় শুকাতে দেখে সুহাসের চঞ্চল মাথায় এক দুষ্টু পরিকল্পনা ভর করে। আড়াল থেকে নামীর গোপন বস্ত্র হাতিয়ে নিয়ে পকেটে পুরে সুহাসের বুক কেন অচেনা শিহরণে কেঁপে ওঠে? ড্রয়িংরুমে ওড়নায় পা জড়িয়ে ফারাহ আছড়ে পড়লে আইয়াজের বুকে কিসের আগমন ঘটে?
রক্তপাত ও অতর্কিত স্পর্শ
সুহাসদের বাসায় রান্নার তোড়জোড়ে নিধির পা কেটে রক্তে ভেসে গেলে নিয়ন্ত্রণ হারায় সৌধ; বন্ধুদের সামনেই নিধিকে কোলে তুলে বেডরুমে নিয়ে দরজা আটকে সে যে দাবি জানায়, তাতে নিধি কি দিশেহারা হয়ে পড়বে?
সত্য-মিথ্যার নির্মম খেলা
ফারাহ আর আইয়াজের ভেতর যখন লাজুক অনুভূতির আদান-প্রদান শুরু হয়, তখন বোতল ঘোরানোর খেলায় শর্ত মেনে নামীর সামনে হাঁটু গেড়ে বসে সুহাস। ভালোবাসা স্বীকার করার বদলে মুখ ফস্কে সুহাস কেন বলে বসে 'আই হেইট ইউ সো মাচ'?
অহংকারের দ্বৈরথ লড়াই
নামীর বিদ্রূপের বাণে সুহাসের পৌরুষে আঘাত লাগতেই খেলা রূপ নেয় ক্ষিপ্ত প্রতিযোগিতায়। কিন্তু খেলার শেষ চাল হিসেবে যখন সুহাস ও নামীকে সারারাত এক ঘরে এক বিছানায় কাটানোর শাস্তি দেওয়া হয়, সুহাসের চোখে কিসের আগুন জ্বলে ওঠে?
আত্মসম্মানের অগ্নিপরীক্ষা
বদ্ধ ঘরে নামীর ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে সুহাস যখন সীমা ছাড়াতে উদ্যত হয়, নামী তখন স্বেচ্ছায় নিজেকে সঁপে দিয়ে চেয়ে বসে ডিভোর্স। স্ত্রীর মুখে আত্মসম্মান বাঁচাতে শরীর বিলিয়ে দেওয়ার এমন তাচ্ছিল্য প্রস্তাব শুনে সুহাসের ভেতরে কিসের ধস নামে?
অপ্রকাশিত অনুভূতির দহন
পাশের বাসার ব্যাংক ম্যানেজারের মা এসে নামীর বিয়ের প্রস্তাব তুলতেই সুহাসের মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ে। হিংসার আগুনে জ্বলে সে বন্ধুদের কাছে স্বীকার করতে বাধ্য হয় নামীর প্রতি তার অবদমিত টান। এদিকে সিমরান কেন নামীর কাছে এসে সৌধর প্রতি নিজের ভালোবাসার গোপন কথা ফাঁস করে?
অন্ধকারের গোপন স্বীকারোক্তি
সিমরানের জন্মদিনের পার্টির ফাঁকে সৌধ নিধিকে ডাইনিং রুমে টেনে বাতি নিভিয়ে নিজের ভালোবাসার স্বীকারোক্তি দাবি করে। কিন্তু পার্টি শেষ হতেই উদয়িনীর আকস্মিক আগমন এবং নামীর ওপর তার পৈশাচিক হাত তোলার ঘটনা কী চূড়ান্ত ধ্বংস ডেকে আনবে?
মুখোশ উন্মোচনের ক্ষণ
উদয়িনীর চড় খেয়ে রক্ত মুখে নিয়ে নিলুর ডায়েরির সাহায্যে অতীতের সমস্ত ষড়যন্ত্র ফাঁস করে দেয় নামী। অপমানের পাহাড় ভেঙে নামী যখন চিরদিনের জন্য বাড়ি ছাড়ার ঘোষণা দেয়, তখন রাস্তায় হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়ে গিয়ে সে কোন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে পৌঁছায়?
বিচ্ছেদের মুখে আকুলতা
হাসপাতালে ছুটে গিয়ে নামীর হাত জড়িয়ে সুহাস নিজের অধিকার দাবি করতে গেলে নামী কঠিন শর্ত জুড়ে দেয়। গ্রামে ফিরে যাওয়ার বদলে নিধিদের বাসায় আশ্রয় নেয় নামী। কিন্তু বাড়িতে ফিরে সুহাস যখন দেখে সিমরানের শরীরেও মায়ের হাতের মারের দাগ, তার ভেতরের মাতাল ক্ষোভ কোন রূপ নেয়?
প্রতিশ্রুতির কঠিন শপথ
পুকুরঘাটে নিধি স্পষ্ট জানায় ক্যারিয়ার আর পরিবারের সম্মান বাঁচাতে সৌধর সাথে সম্পর্কে জড়ানো সম্ভব নয়। সৌধ কি তার সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে পিছিয়ে যাবে, নাকি দুই বছর পর কার্ডিওলজিস্ট হয়ে নিধির পরিবারে প্রস্তাব নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করবে?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
বৃষ্টিস্নাত প্রথম বর্ষপূর্তি
মাঝরাতে প্রথম বিবাহবার্ষিকীর মেসেজ পাঠিয়ে নামীর হোস্টেলের নিচে হাজির হয় সুহাস। প্রবল বর্ষণের মধ্যে হাঁটু গেড়ে নামীর পায়ে রূপোর পায়েল পরিয়ে দিয়ে সে যে ভালোবাসা উজার করে দেয়, বজ্রপাতে আলো নিভতেই সেই মিলন কোন উত্তাল চুম্বনে রূপ নেয়?
দীর্ঘ প্রতীক্ষার তীব্র আলিঙ্গন
তিন বছর পেরিয়ে ঢাকা মেডিকেলে ইন্টার্নশিপের দিনগুলোতে নিধির হঠাৎ তিনদিনের নিখোঁজ হওয়া সৌধকে পাগলপ্রায় করে তোলে। না খেয়ে বিধ্বস্ত সৌধ যখন ফুলবাড়িয়ায় যাওয়ার জন্য ব্যাগ গোছায়, ঠিক তখনই নিধি সামনে এলে সৌধর তীব্র আলিঙ্গন কী বার্তা বহন করে?
অনুরাগের শীতল পরশ
ইদের ছুটিতে নামীর কাছে এসে ঝগড়া শেষে গভীর আদরে রাত কাটায় সুহাস। এদিকে বড়ো বোনের বিয়ের জন্য সিমরানকে বাড়ি নিয়ে আসার দায়িত্ব পড়ে সৌধর ওপর। সৌধর বাইকের পেছনে বসে এক অচেনা অনুরাগের স্পর্শে সিমরানের মনে কিসের স্বপ্ন ডানা মেলে?
পথের মাঝে অচেনা স্বর
সিমরানের ফোন দিয়ে নিধিকে কল করতেই ওপাশ থেকে এক অচেনা পুরুষের ঘুমজড়িত কণ্ঠ শুনে সৌধর ভেতর কিসের আশঙ্কা জন্ম নেয়? অন্যদিকে উদয়িনী নিজের ভেঙে পড়া শরীর ও মন নিয়ে সোহান খন্দকারের কাছে শেষবারের মতো কোন সময়টুকু চেয়ে বসে?
উৎসবের আড়ালে বিষাদের সুর
মেহেদি অনুষ্ঠানে সৌধর দাদুনির তীব্র অপমানে নিভৃতে চোখের জল ফেলে সিমরান। ওদিকে কাজিন শানের সাথে নামীর মেহেদি দেওয়া নিয়ে সুহাসের ক্ষ্যাপাটে পজেসিভনেস বাসরঘরের চেয়েও ভয়ংকর রাত তৈরি করে। পরদিন সকালে সিমরান কেন ভাইয়ের কাছে কেঁদে বাড়ি ফেরার আবদার করে?
অশ্রুভেজা ভোরে সান্ত্বনা
সকালে হঠাৎ নিধি এসে উপস্থিত হলে সৌধ তাকে বাহুবন্দি করে ফেলে। এদিকে সিমরানের কান্না থামাতে ব্যর্থ হয়ে সুহাস যখন সৌধকে ডেকে আনে, সৌধের শান্ত উপস্থিতি ও কথা শুনে সিমরানের বুক কেন ফের ব্যথায় উদ্বেলিত হয়?
ছাদের কোণে আকস্মিক চড়
গায়ে হলুদের রাতে ছাদে নিধিকে বাহুবন্দি করে গভীর চুমুর পরশে দাবি জানাতে যায় সৌধ। কিন্তু ভালোবাসার প্রতিদানে নিধির সপাটে চড় আর কান্নার দৃশ্য আড়াল থেকে দেখে সিমরানের হৃদয়ে কোন প্রলয়ঙ্করী তুফান আঘাত হানে?
গোপন মিলনের বীভৎস দৃশ্য
কনে বিদায়ের আমেজ চলাকালীন স্টোর রুমে অর্পণ স্যার নিধিকে জাপটে ধরে একান্ত মুহূর্তে মগ্ন হতেই সৌধ, সুহাস ও আইয়াজের চোখে পড়ে সেই দৃশ্য। চোখের সামনে প্রিয় নারীকে অন্যের বাহুতে দেখে তিন বন্ধুর ক্রোধ কোন চরম সীমায় পৌঁছায়?
অন্ধ আক্রোশ ও ধ্বংসলীলা
অর্পণ স্যারকে মেরে রক্তাক্ত করে ফেলে সৌধ ও তার বন্ধুরা। রক্তাক্ত অর্পণের পাশে কেঁদে নিধি স্বীকার করে অর্পণ তার বিবাহিত স্বামী! রক্তচক্ষু সৌধ তখন নিধিকে টেনে নিজের বাড়িতে নিয়ে বাবার সামনে গিয়ে কাজী ডাকার হুঙ্কার দেয় কেন?
কাঠগড়ায় সত্যের উন্মোচন
সুজা চৌধুরীর রুদ্ধদ্বার বৈঠকে মামার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও পরিস্থিতির চাপে অর্পণকে বিয়ে করার করুণ কাহিনী তুলে ধরে নিধি। সৌধর নিঃস্বার্থ ভালোবাসাকে উপেক্ষা করে নেওয়া নিধির এই সিদ্ধান্ত কি সৌধকে আজীবনের জন্য পাথর বানিয়ে দিল?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
হৃদয়ের চিরতরে মৃত্যু
নিধির মুখে বাসর রাতের স্বীকৃতি শুনে সৌধর ভেতরকার শেষ সুকোমল অনুভূতির চিরতরে মৃত্যু ঘটে। ঘৃণায় মুখ ফিরিয়ে সৌধ নিধিকে জানিয়ে দেয়, 'তোর মতো ছলনাময়ীর জায়গা আর কোনোদিন এ বুকে হবে না।' সৌধ কি এই দহন সহ্য করতে পারবে?
বিষাক্ত মায়াজাল ও বিয়ারের পেয়ালা
টানা নির্ঘুম রাত আর তীব্র আত্মদহনে বারে গিয়ে মদের পেয়ালায় স্মৃতি ডোবাতে চায় সৌধ। বার ড্যান্সারকে দেখিয়ে সৌধ বলে, 'ও নর্তকী হলেও বেইমান না।' এই বিষণ্ণ অন্ধকারের মাঝে হঠাৎ কেন বন্ধুদের নিয়ে কক্সবাজার হানিমুনের পরিকল্পনা আঁটে সৌধ?
দরজায় নতুন প্রস্তাব
আইয়াজের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে ফারাহর দুলাভাই নজরুলের বাড়ি হাজির হয় সৌধ ও তার পরিবার। কিন্তু নজরুলের কামুক চোখ আর ইতস্তত ভাব দেখে সৌধর তীক্ষ্ণ ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় কোন ভয়ানক পাপের গন্ধ খুঁজে পায়?
অতীতের অন্ধকার ও অপহরণ
দুলাভাইয়ের হাতে ধর্ষিতা হওয়ার বিভীষিকাময় অতীত মনে করে আইয়াজকে ঠকাতে না চেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে ফারাহ। কিন্তু বড়ো বোনের সহযোগিতায় ঘুমন্ত ফারাহকে মাঝরাতে কোলে তুলে নিয়ে তিন বন্ধু কেন কক্সবাজারের বিমানে তোলে?
সমুদ্রের তীরে আশার আলো
কক্সবাজারের মোহময় ভোরে সূর্যোদয় দেখে সুহাস নামীকে বাচ্চা নেওয়ার প্রস্তাব দিতেই নামীর দুচোখ কেন অশ্রুতে ভাসে? ওদিকে আইয়াজের ফোনে প্রাচীর মেসেজ দেখে সৌধ যখন জানতে পারে নিধি ও অর্পণও কক্সবাজার আসছে, তখন তার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা আক্রোশ কোন পথ খোঁজে?
নিঃশর্ত ভালোবাসার জয়গান
ঘুম ভাঙতেই ফারাহ জানতে পারে সে কক্সবাজারে আর আজই আইয়াজের সাথে তার বিয়ে! কলঙ্কিত অতীত নিয়ে ফারাহর কান্না থামিয়ে আইয়াজ বলে, 'কে তোমায় নোংরা ভাবে ছুঁয়েছিল তাতে আমার আগ্রহ নেই, আমার আগ্রহ তোমার ভালোবাসায়।' এই নিঃস্বার্থ প্রেমের কাছে ফারাহ কি হার মানবে?
বিপদের মুখে ভাই ও বন্ধু
সিমরানের ভাঙচুর আর পায়ে কাঁচ ঢুকে রক্তাক্ত হওয়ার খবরে সুহাস হানিমুন ফেলে ঢাকা ফিরতে চাইলে সৌধ তাকে থামিয়ে দেয়। বন্ধুর সংসার বাঁচাতে সৌধ একাই ফিরে যায় সিমরানকে সামলাতে। সৌধর এই ত্যাগ কি তাদের জীবনের সমীকরণ বদলে দেবে?
গানের সুরে ক্ষতের উপশম
সিমরানের ঘরে ঢুকে বিরহের গান বন্ধ করে সৌধ যখন তাকে শর্ত দেয় ভালো থাকার, তখন ভালোবাসার মানুষটিকে সামনে পেয়ে সিমরানের চোখ জুড়িয়ে যায়। এক টুকরো গানের সুরে সৌধ কি সিমরানের কিশোরী হৃদয়ের ক্ষত সারিয়ে তুলতে পারবে?
হাসপাতালে দূরত্বের প্রাচীর
ইন্টার্নির শেষ দিনগুলোতে হসপিটালে নিধি ও সৌধর দেখা হলেও সৌধ তাকে চরম অবহেলায় পাশ কাটিয়ে যায়। অন্যদিকে অর্পণের সাথে নিধির দাম্পত্য তিক্ততা চরম আকার নেয়; শেষ দিনে নিধির কান্নায় ভেঙে পড়ে সৌধকে জড়িয়ে ধরা কোন দুর্যোগের জন্ম দেয়?
গর্ভধারণের নির্মম সত্যি
রাস্তায় অজ্ঞান হয়ে পড়া নিধিকে কেবিনে দেখতে এসে সৌধ জানতে পারে নিধি গর্ভবতী! গর্ভে অন্য পুরুষের সন্তান নিয়ে নিধিকে দেখে সৌধ যখন কানের কাছে মুখ নিয়ে বলে 'তুই আমার হসনি বলে ঘৃণা জন্মেছে, ও আমার হয়নি বলে সেই ঘৃণা অটুট থাকবে'—নিধির আত্মা কি কেঁপে উঠবে না?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে সম্পর্ক
সৌধর রুমে এসে প্রাচী জানায় অর্পণের সাথে সংসার টিকছে না নিধির, সে সৌধকে মিস করে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। প্রাচী অনুরোধ করে সৌধ যেন বিয়ে করে নিজের জীবন গুছিয়ে নেয়, যাতে নিধি বাঁচে। এই চরম সত্য জেনে পাগলের মতো ছুটে আসে সিমরান!
মায়ের কাছে ভালোবাসার আর্তি
সৌধর মায়ের গলা জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কেঁদে সিমরান আকুল আর্তি জানায়, 'আমি কি পাত্রী হিসেবে খারাপ আন্টি? তোমার ছেলেকে আমি ক্লাস নাইন থেকে ভালোবাসি, নিধির জন্য ওর যে যন্ত্রণা সে যন্ত্রণা আমাকে পেতে দিও না।' তানজিম চৌধুরী কি এই ভালোবাসার মূল্যায়ন করবেন?
ক্ষোভ, সংঘাত ও প্রতিরোধ
সিমরান সৌধকে ভালোবাসে শুনে সুহাস রেগে গিয়ে বোনকে চড় মারে। সৌধ স্পষ্ট জানিয়ে দেয় সে সিমরানকে বিয়ে করবে না৷ কিন্তু তানজিম চৌধুরী নিজ সিদ্ধান্তে অটল। রাতে বৃষ্টিতে ভিজে কাঁপতে কাঁপতে সুহাস কেন নামীর ফ্ল্যাটে আশ্রয় নেয়?
জ্বরের ঘোরে গভীর আদর
তীব্র জ্বরে কাঁপা সুহাসকে সারা রাত জলপট্টি দিয়ে সেবা করে নামী। শেষ রাতে জ্বর কমতেই নামীকে বুকের মাঝে টেনে নিয়ে সুহাস এক অনাবিল আদরে ডুবিয়ে দেয়। কিন্তু পরদিন লেকের পাড়ে বসে বোনের বিয়ের প্রসঙ্গে সুহাস কেন আবার কঠোর হয়ে দাঁড়ায়?
বাংলোর নির্জনে বিচ্ছেদ ঘোষণা
ছোটো কাকার নির্জন বাংলোতে সিমরানকে নিয়ে গিয়ে সৌধ জানায় সে নিধির প্রথম প্রেমের ক্ষত ভুলতে পারবে না এবং সিমরানকে বিয়ে করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। ব্যথাহত সিমরান দুচোখে জল নিয়ে সৌধকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ফিরে এসে কেন নিজ থেকেই বিয়েতে না করে দিল?
মোহমুক্ত হৃদয়ের চূড়ান্ত প্রত্যাখ্যান
সিমরান বিয়ে ভেঙে দেওয়ায় দাদুনি খুশি হলেও সৌধ ধীরেধীরে স্বাভাবিক হতে চেষ্টা করে। কিন্তু গভীর রাতে নিধির আকুল ফোনকল এবং দেখা করার অনুনয় শুনে সৌধ কেন চিৎকার করে জানিয়ে দেয়, 'তোকে ছাড়া আমি ভালো থাকতে চাই'?
মৃত্যুর নির্মম পদধ্বনি
রাঙামাটি ভ্রমণের পরিকল্পনা সাজাতে গিয়ে যখন আনন্দমুখর আড্ডা চলছে, ঠিক তখনই বাড়িতে সিমরানের পছন্দের ইলিশ রাঁধতে গিয়ে মা উদয়িনীর আকস্মিক মৃত্যু পুরো পরিবারকে কোন অন্ধকার সাগরে নিমজ্জিত করে দিল?
শোকাতুর রাতে শেষ বিদায়
মায়ের দাফন শেষে সুহাস পাথর হয়ে যায়। অন্যদিকে না খেয়ে থাকা সিমরানের সামনে ভাত মেখে ধরে সৌধ; কিন্তু সিমরান কেন খাবার ঠেলে দিয়ে বলে, 'তোমার ভালোবাসা পাইনি, দয়াটুকুও চাই না'?
নিঃসঙ্গ রাতে ক্ষতের বিস্তার
মায়ের মৃত্যুর জন্য মনে মনে নামীর দেরিকে দায়ী করে সুহাস দূরত্ব বাড়ায়। এ বাড়িতে এসে অসুস্থ বোধ করতে থাকা নামী যখন একা বাথরুমে বমি করে, তখন গভীর রাতে ব্যালকনিতে বসে সুহাস কেন প্রাক্তনের নম্বরে ডায়াল করে বসে?
বিশ্বাসঘাতকতার তীব্র সন্দেহ
ভোরবেলা সুহাসকে অন্য মেয়ের সঙ্গে মিষ্টি সুরে কথা বলতে দেখে রাগে অন্ধ হয়ে কলার চেপে ধরে নামী। এদিকে চট্টগ্রাম শহরে বাড়ির মালিকের মেয়ে আভিরা সৌধকে প্রলুব্ধ করতে এলে সৌধ কেন তাকে কঠিন অপমান ফিরিয়ে দেয়?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
দেয়ালে পিষ্ট আত্মসম্মান
সারাদিন পর ফিরে আসা নামীর চরিত্র নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ইঙ্গিত করে সুহাস যখন তার গলা চেপে ধরে, গর্ভস্থ সন্তানের জন্য থমকে যায় নামী। এর ৪৭ দিন পর সন্তান নিয়ে নামীর নিরুদ্দেশ হওয়া আর সিমরানের নতুন বিয়ের ঠিক হওয়া সুহাসের জীবন কোন নরকে ঠেলে দেয়?
মধ্যরাতের বিষাদ বার্তা
অ্যাডভোকেট অনুজের সাথে সিমরানের এনগেজমেন্টের আগের রাতে ফেসবুকে সিমরানের বিষাদঘন পোস্ট পড়ে সৌধ কেন জেগে ওঠে? আজ দুপুরের বাগদানের খবরে সৌধর স্থির বুক কেন হঠাৎ অস্থিরতায় ফেটে পড়ে?
বিয়ের আসরে বজ্রপাত
অনুজ যখন সিমরানের আঙুলে আংটি পরাতে যাবে, ঠিক তখনই বিধ্বস্ত বেশে ঘরের ভেতরে ঢুকে ক্যামেরা আছড়ে ফেলে সৌধ। সবার সামনে সিমরানের হাত ছাড়িয়ে নিয়ে সৌধ কেন প্রশ্ন করে, 'তোর কি পার্বতী হওয়ার শখ হয়েছে সিনু?'
অধিকারের নতুন সমীকরণ
সিমরানকে বিয়ে করার চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়ে সৌধ তার দাদুনিকেও থামিয়ে দেয়। রাতে ফোনে সিমরান নিজের অদক্ষতার কথা বলতেই সৌধ কেন বলে 'আমার বউ কাজ না পারলেও চলবে, আমাকে ভালোবাসাই তার একমাত্র কাজ'?
আংটি বদল ও শুভ সূচনা
সৌধর জন্মদিনে সিমরানের সাথে তার আনুষ্ঠানিক বাগদান সম্পন্ন হয়। নাকফুল না থাকায় দাদুনির আপত্তির মুখে বাবার সহায়তায় সৌধ যখন হীরের আংটি পরায়, অশ্রুসজল সিমরান সৌধকে কী দাবি জানিয়ে চমকে দেয়?
মিলনের দিনে পুরোনো বন্ধন
বিয়ের মাত্র চার দিন বাকি। সিমরানকে কেনাকাটায় নিয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও বিগবস ক্লাবে বন্ধুদের ডাক পড়ে সৌধর। নিধি আসতে পারে জেনেও সিমরান কেন শান্তভাবে সৌধকে বন্ধুদের সাথে দেখা করার অনুমতি দেয়?
গানের সুরে অতীতের ছায়া
কোলে সন্তান নিয়ে নিধি ক্লাবে পৌঁছায়। সৌধ গিটার হাতে 'ভেবে দেখেছো কি' গানটি গাইতে গাইতে যখন স্মৃতির সাগরে ডোবে, ঠিক তখনই নিচে সিমরানের আগমন সবাইকে কোন নতুন ধাক্কা দেয়?
মায়ার বন্ধন ও চোখের জল
বন্ধুদের আড্ডায় সৌধ যখন পরম যত্নে সিমরানের হাতের কাটার যত্ন নেয়, নিধি তা দেখে বুকের জ্বালা সহ্য করতে না পেরে মিথ্যার আশ্রয়ে চলে যায়। বাইরে বেরিয়ে আইয়াজের মুখোমুখি হয়ে নিধি নিজের ভুলের কোন চরম স্বীকারোক্তি দেয়?
সন্দেহের অবসান ও আলিঙ্গন
নিধি সিমরানকে ফোন করে সৌধকে বিয়ে না করার সতর্কবার্তা দিতেই সিমরান গর্জে উঠে নিধিকে সৌধর জীবনের 'বিগ মিস্টেক' বলে আখ্যা দেয়। অর্পণ সব শুনে ডিভোর্সের হুমকি দিলে নিধি স্বামীকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ে নিজের সংসার আঁকড়ে ধরে কেন?
ড্রয়ারে লুকানো মহা সত্য
গায়ে হলুদের আনুষ্ঠানিকতার মাঝে নামীর আলমারির ড্রয়ারে হাত দিয়ে ফারাহ আবিষ্কার করে নামীর পাঁচ মাসের পুরোনো প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট! সুহাস যে বাবা হতে চলেছে এই খবর পেয়ে সৌধ কেন এই সত্যকে আপাতত গোপন রাখতে আদেশ করে?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
বিয়ের সাঁঝে বিদায়ের গান
বিয়ের দিনে নিধি সৌধর গাওয়া 'কবিতা' গানের ভিডিও দেখে চোখ ভেজায়। অন্যদিকে সুহাস ও সোহান খন্দকার চোখের জলে বিদায় সম্ভাষণ জানায় তাদের রাজকন্যা সিমরানকে। আকাশী লেহেঙ্গায় সজ্জিত সিমরানের সামনে বরবেশে সৌধর আগমন কোন আবহ তৈরি করে?
তিন কবুলের পুণ্য বন্ধন
সাদা পর্দার আড়াল থেকে সৌধর গম্ভীর কণ্ঠে 'আলহামদুলিল্লাহ কবুল' উচ্চারিত হতেই সিমরানের চোখ বেয়ে জল ঝড়ে পড়ে। ভাইয়ের হাত ধরে কান্নাভেজা কণ্ঠে সিমরান যখন সৌধকে কবুল করে নেয়, তখন তাদের তেরো লাখ তেরো টাকার মোহরানা কোন পুণ্যের স্বাক্ষর আঁকে?
অশ্রুসজল বিদায় ও নতুন গৃহ
বাবার কলিজার টুকরাকে তুলে দেওয়া হয় সৌধর হাতে। সুহাস ও বাবার কান্নাভেজা চোখের সামনে দিয়ে সিমরানকে নিয়ে গাড়িতে উঠে সৌধ। চৌধুরী বাড়ির সামনে পা রাখতেই নোড়ার ওপর দাঁড়িয়ে কোন রাজকীয় বরণের সাক্ষী হয় নবদম্পতি?
ফুলশয্যার প্রথম অঙ্গীকার
ফুলশয্যার খাটে সিমরানের সামনে গিটার বাজিয়ে গান গেয়ে শোনায় সৌধ। তিনটে বিশেষ চাওয়ার মধ্যে সিমরান যখন ঘোষণা করে সে ক্যারিয়ার নয়, কেবল সৌধর সংসার আর স্ত্রী হয়ে থাকতে চায়, সৌধের মনে কিসের চমক জাগে?
কটূক্তির জবাবে স্ত্রীর গর্জন
বউভাতের অনুষ্ঠান শেষে বাপের বাড়ি ফিরে সিমরান বান্ধবীর মুখে সৌধর অক্ষমতা নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য শুনে সপাটে গর্জে ওঠে। অন্যদিকে সুহাসকে নামীর গর্ভধারণের ফাইলটি দেখানোর প্রস্তুতি নেয় সৌধ!
পিতৃসত্তার উদ্বেলিত জাগরণ
সুহাসের হাতে নামীর প্রেগন্যান্সি রিপোর্ট তুলে দেয় সৌধ। রিপোর্ট দেখে নিজের সন্তানের আগমনবার্তা ও নামীর একা দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার যন্ত্রণায় টেবিল ভেঙে সুহাস কেন পাগলের মতো গর্জে ওঠে?
নতুন সকালের মিষ্টি শাসন
ভোরবেলা সিমরানের ঘরে ঢুকে এলোমেলো ঘুমে চাদর জড়িয়ে দেয় সৌধ। কফি খাওয়ার ছলে শরীরচর্চার শাসন দিয়ে সৌধ গোপনে নিধির সাথে জরুরি সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে বের হয় কেন?
অপমানের আঘাত ও গর্জন
লুকোচুরি খেলার সময় সুরের পায়ে কাঁচ ঢুকে রক্ত বেরোতেই বড়ো জা ঝুমায়না এসে সপাটে চড় মারে সিমরানকে। ঠিক তখনই দরজায় দাঁড়িয়ে সৌধ কেন গর্জে উঠে বলে, 'হাউ ডেয়ার ইউ ঝুমায়না ভাবি'?
অন্ধকারের বুকে স্নিগ্ধ আলো
ঝুমায়নাকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করে ঘরে এসে সিমরানের লাল গালে চুমু এঁকে সৌধ বলে, 'তুই আমার জীবনের সেই আলো, অন্ধকারে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকতে যার দেখা পেয়েছি।' পরদিন কফিশপে নিধির মুখোমুখি হয়ে সৌধ কোন সত্যি জানতে চায়?
হৃদয়ের শেষ স্বাক্ষর
কফিশপে নিধি জানতে চায় দ্বিতীয়বার কাউকে ভালোবাসা যায় কিনা। জবাবে সৌধ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, 'তুই যদি আমার ভালোবাসার আবছা অক্ষর হোস, সিনু আমার ভালোবাসার শেষ স্বাক্ষর।' সৌধর এই অমোঘ জবাব নিধির মনে কী আলোড়ন তোলে?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
বিদায়ের পূর্বে উষ্ণ পরশ
নামীর সুইজারল্যান্ড যাওয়ার খবরে সুহাস ও সৌধর সেখানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। বিদায়ের আগে চট্টগ্রামে গিয়ে সিমরানকে কাছে টেনে সৌধ যখন বুক ভরে জড়িয়ে ধরে, তখন তাহানীর চোখে ধরা পড়ে তারা কী লজ্জা পায়?
ঈর্ষার অনল ও গভীর মায়া
সিমরানের ফোনে এক পুরোনো বন্ধুর প্রপোজালের কথা শুনে সৌধর ভেতরের পুরুষালি ঈর্ষা কীভাবে অগ্ন্যুৎপাত ঘটায়? বউকে কাছে টেনে সৌধ বুঝতে পারে অন্যের স্ত্রী হওয়া কতটা যন্ত্রণাদায়ক, আর নিজের স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা কতটা অপরিহার্য।
বৃষ্টিভেজা দিনে প্রেমের নিবেদন
৩০তম জন্মদিনে সিমরানকে সেই পুরোনো বাংলোতে নিয়ে গিয়ে বৃষ্টির মাঝে ভালোবাসার পূর্ণাঙ্গ স্বীকৃতি দেয় সৌধ—'ফাইনালি আই গট টু লাভ ইউ।' বৃষ্টিস্নাত ছাউনিতে প্রথম লিপ কিস দিয়ে সিমরানের ঠোঁটে জখম আঁকতেই সুহাসের ফোন এসে কী বাধা দেয়?
জেনেভার বুকে মিলনবার্তা
জেনেভায় অ্যালেনের আশ্রয়ে থাকা নামী আর সুহৃদের জীবনচিত্র উন্মোচিত হয়। সুহাস আর সৌধ হাসপাতালের সামনে দাঁড়িয়ে থাকার পর অবশেষে অচেনা নম্বর থেকে নামীর ফোনকল কি দীর্ঘ ১৬ মাসের দূরত্বের অবসান ঘটাবে?
রক্ত ও নাড়ির প্রথম স্পর্শ
অ্যালেনের বাড়িতে প্রবেশ করে সুহাস প্রথমবার কোলে তুলে নেয় নিজের নয় মাসের পুত্র সুহৃদকে। বুক ফাটা কান্নায় ছেলেকে চুমুতে ভিজিয়ে দেয় পিতা। ওয়ান-ওয়ে গ্লাসের আড়াল থেকে এই দৃশ্য দেখে নামীর চোখের জল কি বাঁধ মানবে?
মান-অভিমানের বরফ গলন
সৌধর মুখোমুখি হয়ে নামী তার সমস্ত ক্ষোভ ও অভিমান উগরে দেয়। সৌধ তাকে মনে করিয়ে দেয়, ভালোবাসায় আত্মসম্মানের চেয়ে নির্লজ্জ হওয়া বেশি সুন্দর। সুহাসের ভালোবাসা কি নামীর মনের বরফ পুরোপুরি গলাতে পারবে?
সতীনের ভয় ও অনাকাঙ্ক্ষিত দাবি
প্যারিস থেকে আসা ল্যালা সুদর্শন সুহাসকে দেখে হুট করে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসে! নামী এসে পরিচয় করিয়ে দেয়, 'উনি সুহৃদের বাবা।' সুহাস দৃঢ়কণ্ঠে জানিয়ে দেয় সুহৃদের মা ছাড়া তার জীবনে অন্য নারীর স্থান নেই। নামীর ভেতরের ঈর্ষা কি এবার ভালোবাসায় রূপ নেবে?
হাসপাতালে রক্তের দাগ
গ্লাস ভেঙে সুহৃদের শরীরে কাঁচ ঢুকে রক্তারক্তি হয়ে যায়। হাসপাতালে ছুটে আসে সুহাস। নামীর পাশে বসে সুহাস যখন কান্নারত কণ্ঠে নিজের অপূর্ণতার কথা বলে, নামীর কঠোর হৃদয় কি অবশেষে গলে যায় না?
মধ্যরাতে সন্তানের শিয়রে
সুহৃদের তীব্র জ্বরে নামী ফোন করে সুহাসকে ডেকে আনে। দুজন ডাক্তার বাবা-মা মিলে ছেলের জ্বর কমায়। রাত তিনটায় সুহৃদকে মাঝে নিয়ে একসাথে এক বিছানায় ঘুমাতে গিয়ে সুহাসের কপালে চুম্বন নামীর মনে কোন ঝড় তোলে?
আঁধারে নিমজ্জিত পৃথিবী
বাংলাদেশে সোহান খন্দকার হঠাৎ রক্তবমি করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন! হসপিটালে নিধি লাশ দেখে কেঁদে ওঠে সৌধকে ফোন করে জানায় এই দুঃসংবাদ। জেনেভায় বসে সৌধ যখন শোনে সোহান আংকেল আর নেই, তার মাথায় কোন বজ্রপাত নামে?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
বুকফাটা কান্না ও এতিম বালিকা
বাপের বাড়ি এসে বাবার নিথর দেহ দেখে সিমরান চিৎকার করে ওঠে। বার বার জ্ঞান হারিয়ে নিধির বুকে ঢলে পড়ে সে। হসপিটালে তাকে অক্সিজেন দিয়ে রাখতে হয়। সুহাস আর সৌধ ছাড়া এতিম সিমরানকে কে রক্ষা করবে?
মাতৃভূমিতে ফেরার আকুল আর্তি
শশুরের মৃত্যুর খবর পেয়ে নামী আর এক মুহূর্তও বিদেশে থাকতে চায় না। সুহাসের বুকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ে সে অনুরোধ করে, 'আমাদের যত দ্রুত সম্ভব দেশে নিয়ে চলো সুহাস।' দেশে ফিরে সিমরানের শিয়রে সৌধ এলে কী ঘটবে?
পিতৃবিয়োগে একাকার ক্রন্দন
দেশের মাটিতে ফিরে বাবার কথা স্মরণ করে ভেঙে পড়ে সুহাস। আত্মীয়দের সমালোচনার মাঝে নামী শক্ত হয়ে দাঁড়ায়। সৌধ যখন সিমরানের চোখের জল মুছে বুকে জড়িয়ে সান্ত্বনা দেয়, তখন দুই ভাই-বোনের শূন্যতায় ভালোবাসা কীভাবে ঢাল হয়ে দাঁড়ায়?
অন্ধভীতি ও আশ্বাসের পরশ
মা-বাবা হারানোর তীব্র ট্রমা থেকে সিমরান সৌধকে বলে, 'আমরা কখনো বাচ্চা নিব না সৌধ।' সৌধ তার মুখে আঙুল চেপে ধরে কীভাবে বোঝায় জীবনের অমোঘ সত্যি এবং এক বছরের মধ্যে কেন নিজের সন্তানের দাবি তোলে?
বাজারের ভিড়ে খুনসুটি
সকালে নামী ও সুহাস বাজারে গিয়ে দামাদামি করা নিয়ে মিষ্টি দাম্পত্য খুনসুটিতে মেতে ওঠে। দুপুরে আইয়াজ-ফারাহ এবং সন্তান সহ নিধি এসে হাজির হলে বহু বছর পর বন্ধুদের এক অভূতপূর্ব আড্ডার সৃষ্টি হয় কেন?
আগুনের তাপে বন্ধুত্বের স্বীকারোক্তি
ছাদে আগুনের পাশে বসে সৌধ নিধিকে স্পষ্ট করে দেয় যে সে অর্পণের কাছে ক্ষমা চাইবে না, কারণ তার অতীত অনুভূতি কোনো অপরাধ ছিল না। আড়াল থেকে তা শুনে সিমরানের বুক গর্বে ভরে উঠলেও ঘরে ফিরে সে কেন শাড়ি পরে অভিমান করে?
রাতের নিস্তব্ধতায় পূর্ণতা
সিমরানের অভিমানী চোখের পানি মুছে দিয়ে সৌধ দরজা বন্ধ করে দেয়। উন্মত্ত ভালোবাসায় সিমরানের শাড়ির বাঁধন খুলে এক নিবিড় মিলনে পূর্ণতা পায় তাদের দুই বছরের সংসার। মাঝরাতে খাবার গরম করতে গিয়ে আইয়াজ-ফারাহর সামনে পড়ে কী কাণ্ড ঘটে?
অশ্রুজলে ভেজা মধুর পুনর্মিলন
মাঝরাতে বাবা-মায়ের ঘরে গিয়ে কান্নারত সুহাসকে আবিষ্কার করে নামী। সুহাসের সব বিষণ্ণতা মুছে দিয়ে নামী যখন ভালোবাসা নিবেদন করে, তখন সুহাস তাকে বুকে জড়িয়ে নেয়। বাবা-মায়ের ঘরে তাদের নতুন জীবনের মধুর সূচনা কীভাবে ঘটে?
ঘরে ঘরে নতুন প্রাণের আগমন
ছুটির দিনে অর্পণের হাত কেটে গেলে বকাঝকা করতে করতে নিধি প্রকাশ করে দ্বিতীয়বার মা হওয়ার খবর! অর্পণ খুশিতে নিধিকে কোলে তুলে নেয়। ওদিকে ফারাহর গর্ভে জন্ম নেয় দুই রাজপুত্র আনান ও ফানান। খুশির জোয়ারে কীভাবে ভাসে পরিবারগুলো?
তরঙ্গের মোহনায় মহা মিলন
দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকীতে সৌধ যখন গিটারে সুর তুলে 'লাবো কো' গান গেয়ে সবাইকে চমকে দেয়, সিমরান তখন সৌধর কানে ফিসফিস করে জানিয়ে দেয় তাদের কোলজুড়ে নতুন অতিথি আসার সুসংবাদ! তিন ধারার ভালোবাসার এই মোহনায় কীভাবে ঘটে এক স্বর্গীয় সমাপ্তি?
পাঠকদের পছন্দের বই
পড়ার ফাঁকে রকমারি থেকে সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের বই
ভালোবাসার শেষ স্বাক্ষর
দীর্ঘদিন পর বন্ধুদের আড্ডায় নিধির উপস্থিতি সৌধর মনে পুরোনো ক্ষত জাগিয়ে তোলে। একদিকে বন্ধুত্বের টান, অন্যদিকে স্ত্রীর প্রতি দায়িত্ব। এই দুইয়ের মাঝে দাঁড়িয়ে সৌধ কি পারবে নিধিকে বোঝাতে যে, তার হৃদয়ে এখন সিমরানই একমাত্র নারী?
সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQs)
ত্রিধারে তরঙ্গলীলা (Tridhare Tarangalila) উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু কী?
ত্রিধারে তরঙ্গলীলা উপন্যাসে মোট কতটি পর্ব রয়েছে?
ত্রিধারে তরঙ্গলীলা উপন্যাসের লেখিকা কে?
উপন্যাসটি কি অনলাইনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পড়া যায়?
সুহাস ও নামীর বিচ্ছেদ কি শেষ পর্যন্ত দূর হয়?
সৌধ ও সিমরানের সম্পর্ক কীভাবে পরিণতি পায়?
পাঠক রিভিউ ও রেটিং
0 টি রিভিউ · 0 জন পাঠক
0 টি রিভিউ
রকমারি বেস্টসেলার: বইমেলা কালেকশন
পাঠকদের জন্য এই ঘরানার শীর্ষ ট্রেন্ডিং ও পছন্দের বইসমূহ সংগ্রহ করুন রকমারি থেকে