আবেগঘন মুহূর্ত
আবেগঘন মুহূর্ত ক্যাটাগরির পর্বসমূহ।
১৫. বৃষ্টি হয়ে নামবো | গাড়িতে বিরিয়ানি
সাজ নষ্ট হওয়ার ভয়ে দোলা তার প্রিয় বিরিয়ানি খেতে পারছিল না। আদনান তাকে দেখতে পেয়ে নিজের গাড়িতে টেনে নিয়ে যায়। সেখানে সে নিজের হাতে দোলাকে খাইয়ে দেয়। এই অচেনা যত্নে দোলা যখন মুগ্ধ, ঠিক তখনই তার কলেজে উদয় হয় সেই পুরনো শত্রু—তিথি।
১৭. বৃষ্টি হয়ে নামবো | কপালে প্রথম চুম্বন
দোলার পেট ব্যাথার খবর পেয়ে আদনান ছুটে আসে। 'তিন প্লেট ফুচকা'র জন্য বকা দিলেও, দোলার চোখের জল সে সহ্য করতে পারে না। তার কান্না মুছিয়ে দিয়ে সে হঠাৎই দোলার কপালে এক গভীর চুম্বন এঁকে দেয়। এই অপ্রত্যাশিত স্পর্শে দোলার পৃথিবীটা যেন থমকে যায়।
১৯. বৃষ্টি হয়ে নামবো | ভালোবাসি তোমায়
আদনানকে ইমপ্রেস করতে দোলা আনাড়ির মতো শাড়ি পরে। কিন্তু আদনান তার ছাদের ঘোষণার জন্য রেগেমেগে তার রুমে আসে। দোলা কোনো কথা না শুনেই তাকে জড়িয়ে ধরে। "ইউ আর মাই লাভ"—এই এক কথাতেই আদনানের সব রাগ পানি হয়ে যায়, কিন্তু তখনই রুমে ঢুকে পড়ে দোলার মা।
২২. বৃষ্টি হয়ে নামবো | বুকের ভেতরের যন্ত্রণা
দোলা আদনানের ল্যাপটপে গার্লফ্রেন্ড খুঁজতে গিয়ে নিজের ছবি ওয়ালপেপার হিসেবে আবিষ্কার করে। ক্লান্ত আদনান বাসায় ফিরলে সে তার মাথা টিপে দিতে যায়। আদনান হঠাৎ করেই তার বুকের ভেতরের যন্ত্রণার কথা বলে ওঠে। অন্যদিকে, আরাফাত দোলাকে সরাসরি প্রেমের প্রস্তাব দেয়।
২৪. বৃষ্টি হয়ে নামবো | গালে প্রথম চুমু
পারিবারিক দাওয়াতে গিয়ে দোলা সাহসের সাথে আদনানের রুমে গিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরে। আদনান এবার তাকে না সরিয়ে, উল্টো তার সাথে প্রেমের 'নিয়ম' নিয়ে মজা করে। সে দোলার গালে এক আকস্মিক চুম্বন এঁকে দেয়। আদনানের এই নতুন রূপে দোলা লজ্জায় পালিয়ে যায়।
৩০. বৃষ্টি হয়ে নামবো | ফিরে আসা প্রাণ
বারো ঘণ্টা প্রায় শেষ, ঠিক সেই মুহূর্তে দোলার জ্ঞান ফেরে। আদনান ছুটে এসে তাকে জড়িয়ে ধরে। সব যন্ত্রণা, সব অপেক্ষা যেন এক মুহূর্তে শেষ হয়ে যায়। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেই দোলা আদনানের কাছে এক অদ্ভুত আবদার করে বসে—বিয়ে!
২৫. বৃষ্টি হয়ে নামবো | দশ বছরের স্বীকারোক্তি
আদনানের চুম্বনে দোলা লজ্জায় লাল। আদনান তাকে প্রেমের নতুন 'রুলবুক' শোনাতে থাকে। কিন্তু যখন দোলা অভিমান করে আরাফাতের নাম নেয়, আদনানের ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙে। সে দোলাকে চেপে ধরে তার দশ বছরের জমানো ভালোবাসার কথা স্বীকার করে। কিন্তু কেন সে প্রপোজ করতে 'পারবে না'?
৭. তেইশান্তে প্রেমালোক | তেইশে মৃত্যু, তেইশে ভয়
তদন্তে রায়ান ও নীলা এক ভয়ংকর প্যাটার্ন খুঁজে পায়—সব ভুক্তভোগী মাসের ২৩ তারিখে মারা যাচ্ছে। যখন তারা ভাবে পরবর্তী আক্রমণের আগে এক মাস সময় আছে, ঠিক তখনই আরও মৃত্যুর খবর আসে। সেই রাতেই এক ঝড়ো সন্ধ্যায় নীলার আতঙ্কিত ফোন কল রায়ানের কাছে আসে। নীলার সাথে কী ঘটেছে?
৪৬. আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে | ভালোবাসার আর্তনাদ
বাবার অসুস্থতায় ভেঙে পড়া আবিরের পাশে দাঁড়ায় মেঘ। তাদের মধ্যেকার দূরত্ব যখন কমতে শুরু করে, তখন আবিরের বলা এক কথায় মেঘের মনে আবারও সন্দেহের জন্ম হয়। আবিরের মনের আসল কথা কি মেঘ কোনোদিন জানতে পারবে?
৩১. আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে | অপেক্ষার অবসান
মেঘের অসুস্থতার খবর পেয়ে আবিরের পৃথিবী ওলটপালট হয়ে যায়। দীর্ঘদিনের নিরবতা ভেঙে সে যখন মেঘকে কল করে, তখন তাদের মধ্যেকার কথোপকথন কি সম্পর্কের নতুন কোনো মোড় আনবে? মেঘের প্রতি আবিরের এই টান কি শুধুই দায়িত্ববোধ?
২৫. আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে | বৃষ্টি রাতের প্রতিশ্রুতি
বৃষ্টিস্নাত এক নির্জন রাতে আবির আর মেঘ মুখোমুখি হয় নিজেদের অনুভূতির। মেঘের বলা এক কথায় আবিরের মনে জমে থাকা কষ্টের বাঁধ ভেঙে যায়। এই রাতে কি তারা একে অপরকে কোনো নতুন প্রতিশ্রুতি দেবে?
১৬. আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে | ফুচকার আবদার ও অপ্রত্যাশিত মুহূর্ত
আবিরের হাতের আঘাতের জন্য নিজেকে দায়ী ভেবে মেঘ যখন তাকে মলম লাগাতে যায়, তখন আবিরের অপ্রত্যাশিত আচরণ তাকে হতবাক করে দেয়। পরদিন ফুচকা খাওয়ার সামান্য আবদার মেটাতে আবির তাকে নিয়ে যায় এক নতুন সফরে। আবিরের এই দ্বৈত রূপের পেছনে কি শুধুই শাসন, নাকি মেঘের প্রতি তার অনুভূতির এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা?
