আবেগঘন
আবেগঘন ক্যাটাগরির পর্বসমূহ।
১২. যুগলবন্দী পায়রা | রক্তে লেখা অতীত
বাসর রাতের নিস্তব্ধতায় ইয়ামিন উন্মোচন করে তার বুকের গভীরে লুকিয়ে রাখা এক ক্ষতবিক্ষত অতীত। তানিশার মৃত্যু আর পায়রার সাথে তার সখ্যের এই গল্প শুনতে শুনতে মহুয়া কি খুঁজে পাবে তার নিজের জীবনের কোনো হারানো অধ্যায়? দুটি সমান্তরাল কষ্টের গল্প কি এক বিন্দুতে মিলবে?
৯. যুগলবন্দী পায়রা | শূন্য ভিটায় মিথ্যের হাহাকার
বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে অবশেষে কাঙ্ক্ষিত ঠিকানায় পা রাখে মহুয়া। কিন্তু সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা পোড়াবাড়িটি কোন নির্মম সত্যের জানান দিচ্ছে? তবে কি তার এতদিনের প্রেম শুধুই এক মরীচিকা? গ্রামবাসীদের মুখে শোনা ভুতুড়ে গল্প কি শুধুই কুসংস্কার, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে অন্য কোনো ট্র্যাজেডি?
৪. যুগলবন্দী পায়রা | বিমুখ শহরের অবাধ্য রাজপথ
কৃতজ্ঞতা জানানোর বদলে জুটেছে অপমান, তাই জেদ করেই অচেনা পথে পা বাড়ায় মহুয়া। কিন্তু প্রকৃতির রুদ্ররোষে যখন পথঘাট বিচ্ছিন্ন, তখন সেই দাম্ভিক যুবকটিই কেন বার বার ফিরে আসে তার সামনে? দুর্যোগের রাতে একা একটি মেয়ের কান্না কি ইয়ামিনের কঠিন মন গলাতে পারবে?
২৭. এক মুঠো কাঠগোলাপ | কাঠগোলাপের বাগানে প্রস্তাব
চোখ বাঁধা অবস্থায় এক স্বপ্নের জগতে প্রবেশ। চারদিকে ছড়ানো কাঠগোলাপের পাপড়ি আর মাঝখানে হাঁটু গেড়ে বসা প্রিয় মানুষটি। এক মুঠো কাঠগোলাপ হাতে রিয়াদ আজ কোন প্রশ্নের উত্তর চাইছে?
২১. এক মুঠো কাঠগোলাপ | দ্বীপের শেষ বিকেল ও উদ্ধার
বালুকাময় সৈকতে দৌড়ঝাঁপ, স্যারের কণ্ঠে গান আর একমুঠো বালি নিয়ে খুনসুটি। কিন্তু এই আনন্দের মাঝেই ভেসে এল ইঞ্জিনের শব্দ। অপূর্বের আগমন কি তাদের এই স্বপ্নের জগত থেকে বাস্তবে ফিরিয়ে আনবে?
১৭. You are mine | হলুদে লিমনের উপস্থিতি
গায়ে হলুদের আসরে হঠাৎ লিমনের আবির্ভাব, শেষবারের মতো নাচতে চায় ঈশার সাথে। কিন্তু ঈশান কি তা হতে দেবে? রোমান্টিক নাচের পরেই আসে বিচ্ছেদের সুর—কাজের জন্য ঈশানকে যেতে হবে কক্সবাজার। একা বাড়িতে ঈশাকে ঘিরে কি কোনো ষড়যন্ত্র বুনছে শত্রুরা?
৮. You are mine | রক্তক্ষরণ ও গোপন সত্য
জেঠিমার অপমানে নিজের হাত কেটে রক্তাক্ত করেছে ঈশান, তবুও জেদ কমছে না। ঈশা সেবা করার সময় জানতে পারে ঈশানের গুন্ডামির আড়ালের আসল সত্যিটা। সমাজ যাকে খারাপ জানে, সে কি সত্যিই অপরাধী, নাকি মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে আছে অন্য এক মানুষ?
১১. Love Marriage | সায়ানাইডের করাল গ্রাস
ডাক্তারের রিপোর্টে জানা যায় তেলের শিশিতে মেশানো ছিল পটাশিয়াম সায়ানাইড, যার প্রভাবে ইশানের মা প্যারালাইজড হয়ে যান। বাড়ির সবাই, এমনকি ননদ ইরা ও তানিয়া মিলে দিশাকেই এই জঘন্য কাজের জন্য দায়ী করে। ইশান কি তার স্ত্রীকে বিশ্বাস করবে, নাকি প্রমাণের চাপে সেও দিশাকেই অপরাধী ভাববে?
৮. রক্তক্ষরণ অপেক্ষা | মধ্যরাতের থাপ্পড়
নীলকে কেন্দ্র করে ভুল বোঝাবুঝির জেরে শুভ্রর হাতে চড় খেয়ে পরী স্তব্ধ। মাঝরাতে জোরপূর্বক লং ড্রাইভে নিয়ে গিয়ে শুভ্র কি বোঝাতে চাইল? পরদিন পরীক্ষার হলে যাওয়ার পথে এক দুর্ঘটনায় পরীর ফোন ভাঙার সাথে সাথে কি ভাঙল তার শেষ ধৈর্যটুকুও?
৩৭. এক চিলতে রোদ | খাইয়ে দেওয়া আদর আর অধিকার
উষার হাতে খাবার তুলে দেওয়া ইহানের ‘বউ’ বলে সম্বোধন—উষার মনে কি বসন্ত নিয়ে আসবে? ইহান কেন উষাকে দিয়ে সব কাজ করিয়ে নিতে চায়? ডাল দিয়ে ভাত খাওয়ার কৈফিয়ত আর উষার চোখের জল—ইহানের বুকে কি ব্যাথা জাগায়? ইহান কেন উষার থেকে সব কাজ আদায় করে নিচ্ছে?
২২. এক চিলতে রোদ | বন্ধ ঘরে হৃৎপিণ্ডের ধুকপুকানি
ইহান যখন উষাকে টেনে তার রুমে নিয়ে গিয়ে দেওয়ালে চেপে ধরে, তখন কি কোনো বড় গোপন কথা ফাঁস হবে? ইহানের রক্ত লাল চোখ আর উষার থরথর কম্পন—কিসের এই ঝগড়া? ইহান কেন উষার হাত নিজের বুকে চেপে ধরলো? এই স্পর্শ কি তাদের সম্পর্কের সীমানা বদলে দিবে?
৩. এক চিলতে রোদ | অপয়া অপবাদের দহন জ্বালা
সামান্য ভুলের জন্য উষার ওপর নেমে আসে অপয়া আর অলক্ষ্মীর তকমা। ইহানের পুড়ে যাওয়া হাত আর চাচির নিষ্ঠুর চড়—সবকিছুর মাঝে উষা নিজেকে বড় একা অনুভব করে। কিন্তু ইহান কি আসলেই উষাকে দোষী ভাবছে, নাকি তার অন্তরে জন্ম নিয়েছে অন্য কোনো অনুভূতি? অপমানের এই তিক্ততা কি সইতে পারবে উষা?