#গোপন যত্ন

গোপন যত্ন ট্যাগসহ পর্বসমূহ।

১০. ১৬ পৃষ্ঠায় | পিঠের সেই দাগ

এক গোপন কথোপকথনে বেরিয়ে আসে নিনির অতীতের এক ভয়ংকর নির্যাতনের কথা, যা সে এতদিন লুকিয়ে রেখেছিল। যখন এনোন তার পিঠের সেই কালো দাগগুলো নিজের চোখে দেখে, তখন তার ভেতরের সব সমীকরণ বদলে যায়। স্ত্রীর এই যন্ত্রণার প্রতিদান সে কীভাবে নেবে?

লিখেছেন: জায়রা ইনছান ২২ ভিউ

৫. ১৬ পৃষ্ঠায় | অপ্রত্যাশিত আশ্রয়

যখন পরিবারের এক সদস্যের অপমানে নিনি জর্জরিত, তখন অপ্রত্যাশিতভাবে তার পক্ষ নেয় সেই স্বামী, যে তাকে সবচেয়ে বেশি ঘৃণা করে। কিন্তু এই সমর্থনের পেছনে কি কোনো সহানুভূতি আছে, নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্য? রাতের আঁধারে নিনির জ্বরের ঘোরে কে রাখলো তার মাথায় জলপট্টি?

লিখেছেন: জায়রা ইনছান ২৯ ভিউ

২. লাজুকপাতা | নতুন পথের বাঁকে

পলাশবাড়ী ছেড়ে ঢাকার পথে পা বাড়ালো জরী। গাড়িতে স্বামীর সামান্য একটু যত্ন তার মনে আশা জাগালেও শ্বশুরবাড়ির প্রথম দিনের ঘটনাই বুঝিয়ে দেয়, এই পথটা মোটেও সহজ হবে না। কী এমন অঘটন ঘটেছে যা পুরো পরিবারকে নাড়িয়ে দিয়েছে?

লিখেছেন: সাবিকুন নাহার নীপা ৪৫ ভিউ

২০. পাথরের বুকে ফুল | ভালোবাসার নতুন অধ্যায়

ওয়াসেনাতের দুর্বল শরীর আর অরিত্রানের যত্ন—দুজনের মাঝে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। অরিত্রানের রুমে নিজের অসংখ্য ছবি আর তার লেখা কাব্যিক কথাগুলো দেখে ওয়াসেনাতের মন অজানা এক ভালো লাগায় ভরে ওঠে। এই নতুন অনুভূতি কি তাদের ভালোবাসাকে পূর্ণতা দেবে?

লিখেছেন: হাফসা আলম ২৬ ভিউ

১২. পাথরের বুকে ফুল | মাঠের মাঝে ঘুমন্ত বিশ্বাস

এক অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার পর অরিত্রান ওয়াসেনাতকে নিয়ে যায় সেই চেনা মাঠে। তার কোলে মাথা রেখে বহু বছর পর এক প্রশান্তির ঘুম দেয় সে। এই ঘুমন্ত বিশ্বাস কি পারবে ওয়াসেনাতের মনের সব দ্বিধা দূর করতে?

লিখেছেন: হাফসা আলম ২৭ ভিউ

৬২. এক সমুদ্র প্রেম | শেষ রাতের স্পর্শ

বাসর রাতের উত্তেজনার পর যখন সবাই ঘুমে আচ্ছন্ন, ধূসর চুপিচুপি পিউয়ের ঘরে প্রবেশ করে। ঘুমন্ত পিউকে দেখে তার ভেতরের সব আবেগ যেন বাঁধ ভেঙে বেরিয়ে আসে। সে পিউয়ের কপালে একটি চুমু এঁকে দেয়, যা তাদের সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। এই রাতের পর তাদের ভালোবাসা কি আরও গভীর হবে?

লিখেছেন: নুসরাত সুলতানা সেঁজুতি ৩৫৩ ভিউ

৪৩. এক সমুদ্র প্রেম | শেষ রাতের স্পর্শ

বাসর রাতের উত্তেজনার পর যখন সবাই ঘুমে আচ্ছন্ন, ধূসর চুপিচুপি পিউয়ের ঘরে প্রবেশ করে। ঘুমন্ত পিউকে দেখে তার ভেতরের সব আবেগ যেন বাঁধ ভেঙে বেরিয়ে আসে। সে পিউয়ের কপালে একটি চুমু এঁকে দেয়, যা তাদের সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। এই রাতের পর তাদের ভালোবাসা কি আরও গভীর হবে?

লিখেছেন: নুসরাত সুলতানা সেঁজুতি ২৬১ ভিউ

৩১. এক সমুদ্র প্রেম | অপ্রকাশিত অধিকার

পিউকে আত্মহত্যা করতে চাওয়ার জন্য ধূসর প্রচণ্ডভাবে চড় মারে, কিন্তু তার জ্ঞান হারানোর অভিনয় ধূসরের ক্রোধকে উদ্বেগে পরিণত করে। রাতে ভূতের ভয়ে যখন পিউ কাতর, ধূসর তাকে নিজের ঘরে আশ্রয় দেয়। এই কঠোর শাসনের আড়ালে থাকা গভীর যত্ন কি পিউয়ের কাছে তার ভালোবাসার প্রমাণ হিসেবে যথেষ্ট?

লিখেছেন: নুসরাত সুলতানা সেঁজুতি ২৮২ ভিউ

২৫. এক সমুদ্র প্রেম | অদৃশ্য প্রহরী

কলেজের সামনে মৃণাল নামের এক অদ্ভুত ছেলের আবির্ভাব ঘটে, যে নিজেকে ধূসরের 'ভাই' এবং পিউকে 'ভাবি' বলে পরিচয় দেয়। পিউ জানতে পারে, ধূসর তাকে রক্ষা করার জন্য গোপনে মৃণালকে নিয়োগ করেছে। ভালোবাসার মানুষের এই অদৃশ্য প্রহরা পিউকে সুরক্ষিত বোধ করালেও, তার স্বাধীনতার ওপর এই নিয়ন্ত্রণ কি সে মেনে নিতে পারবে?

লিখেছেন: নুসরাত সুলতানা সেঁজুতি ২৪৮ ভিউ

২০. এক সমুদ্র প্রেম | কলঙ্কের পেছনের কারণ

খবর আসে যে ধূসর এক স্থানীয় ছেলেকে নির্মমভাবে প্রহার করেছে, যা পরিবারের জন্য লজ্জা বয়ে আনে। এক উত্তপ্ত বিতর্কের মাঝে, সে তার কাজের জন্য এক দুর্বল অজুহাত দেয় এবং ঔদ্ধত্যের সাথে দাঁড়িয়ে থাকে। সে আসল কারণটি প্রকাশ করতে অস্বীকার করে—যে সে পিউয়ের সম্মান রক্ষা করছিল। কেন সে নিজের খ্যাতির বিনিময়ে পিউয়ের গোপনীয়তা রক্ষা করছে?

লিখেছেন: নুসরাত সুলতানা সেঁজুতি ২৩৩ ভিউ

১২. এক সমুদ্র প্রেম | মধ্যরাতের আইসক্রিম

গভীর রাতে ধূসর পিউয়ের ঘরে একটি শান্তি প্রস্তাব নিয়ে হাজির হয়: আইসক্রিম। এই ছোট্ট দয়ার কাজ তার মধ্যে এক জীবন্ত স্বপ্নের জন্ম দেয়, যেখানে ধূসর তার ভালোবাসা স্বীকার করার দ্বারপ্রান্তে। তার স্বপ্ন কি ভবিষ্যতের ইঙ্গিত, নাকি এটি কেবল তার আশাবাদী হৃদয়ের একটি কল্পনা?

লিখেছেন: নুসরাত সুলতানা সেঁজুতি ২২৮ ভিউ

১১. এক সমুদ্র প্রেম | আকস্মিক দুর্ঘটনা, অপ্রত্যাশিত স্পর্শ

শৈশবের এক ভয় বিপর্যয়ে রূপ নেয় যখন একটি বিপথগামী কুকুর পিউকে একটি রিকশার সামনে দৌড়ে যেতে বাধ্য করে, যাতে তার পা আহত হয়। কিন্তু ব্যথা ভুলে যায় যখন ধূসর, কোনো শব্দ না করে, তাকে কোলে তুলে নেয়। এই দুর্বলতার মুহূর্তটি কি সেই কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি যা সে এতদিন অপেক্ষা করছিল?

লিখেছেন: নুসরাত সুলতানা সেঁজুতি ২৩৭ ভিউ