রহস্য
রহস্য ক্যাটাগরির পর্বসমূহ।
৩৫. অপেক্ষা | শ্যামাপাখির নীরব কান্না
আদওয়ার অসুস্থতা এক নতুন রূপ নেয়। কাশির সাথে রক্ত পড়া আর তীব্র বুকে ব্যথা আরহামকে দিশেহারা করে তোলে। সে কি আদওয়ার অসুস্থতার আসল কারণ জানতে পারবে? নাকি এই রহস্যময় অসুস্থতা তাদের থেকে প্রিয় শ্যামাপাখিটিকে কেড়ে নেবে?
৯. অপেক্ষা | এক ভয়ঙ্কর রাতের ছায়া
মাইমুনার ষড়যন্ত্রের কারণে হাফসা যখন একা ঘুমাতে ভয় পায়, তখন আরহাম তাকে আগলে রাখে। কিন্তু বাড়িতে মাইমুনার মামা রুদ্রের আগমন এক নতুন বিপদের সংকেত দেয়। রুদ্রের অশুভ দৃষ্টি আর মাইমুনার সাথে তার গোপন কথাবার্তা কি হাফসার জন্য নতুন কোনো ফাঁদ পাতছে?
৫. ভালবাসার রাজপ্রাসাদ | অদৃশ্য কালির চিঠি
কলকাতায় ফিরে পরীর জন্য অভিমন্যুর মন ছটফট করে। হঠাৎ সে পরীর কাছ থেকে এক অদৃশ্য কালিতে লেখা রহস্যময় চিঠি পায়। চিঠির সূত্র ধরে তারা গোপনে দেখা করে এক দুঃসাহসিক পরিকল্পনা করে—সবার চোখ এড়িয়ে একসাথে পাহাড়ে ঘুরতে যাওয়ার। তাদের এই গোপন পরিকল্পনা কি সফল হবে? নাকি ধরা পড়ার ভয়ে তাদের স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে?
৩৮. ইট পাটকেল | শেষ শত্রুর নাম
আশিয়ানের জিজ্ঞাসাবাদে লারা অবশেষে মূল ষড়যন্ত্রকারীর নাম প্রকাশ করে। কিন্তু সেই নামটি আশমিনকে এক নতুন এবং আরও ভয়ংকর লড়াইয়ের মুখোমুখি দাঁড় করায়। কে এই নতুন শত্রু?
১৫. ইট পাটকেল | হোটেল রুমের সেই মেয়ে
পুরোনো সেই অন্তরঙ্গ ছবির মেয়েটিকে খুঁজে বের করে নূর। সত্যটা জানার পর তার প্রতিশোধের আগুন আরও তীব্র হয়ে ওঠে। অন্যদিকে আশমিনও সেই মেয়েটিকে নিয়ে নিজের পরিকল্পনা সাজায়। একই গুটি নিয়ে দুজনের খেলায় কে জিতবে?
১২. ইট পাটকেল | বন্দীর জবানবন্দি
নূরের বাবার গাড়িচালক মতিন মিয়াকে আশমিন তুলে এনেছে। তার জবানবন্দিতে বেরিয়ে আসে কামিনী চৌধুরী আর লারার বাবার ষড়যন্ত্রের কথা। কিন্তু এটাই কি পুরো সত্য, নাকি এর পেছনে আরও বড় কোনো রহস্য লুকিয়ে আছে?
২. ইট পাটকেল | মন্ত্রীর বউ নিখোঁজ
বিয়ের আগের সকালেই আশমিনের হবু স্ত্রী লারা নিখোঁজ। আশমিনের সন্দেহের তীর নূরের দিকে, আর গোপন ক্যামেরায় নূরের হাসি সেই সন্দেহকেই সত্যি প্রমাণ করে। আশমিন কি নূরের পাতা ফাঁদে পা দিয়েছে, নাকি তার নিজের কোনো চাল চালছে?
১৭. ভালোবাসি তোমায় | অন্ধকার ঘরের শাস্তি
এক মাস পর ফাইয়াজের হঠাৎ আগমন হুরের মনে প্রশ্ন জাগালেও, ভার্সিটির এক অন্ধকার ক্লাসরুমে সে মুখোমুখি হয় সেই রাতের অতিথির। অন্য এক ছেলের পক্ষ নেওয়ায় তার উপর নেমে আসে তীব্র ক্রোধ আর শাস্তি। এই হিংস্র প্রেমিক কি ফাইয়াজ নিজেই, নাকি অন্য কেউ যে ফাইয়াজের অনুপস্থিতির সুযোগ নিচ্ছে?
১৫. ভালোবাসি তোমায় | বিড়াল এবং রাতের অতিথি
ফাইয়াজের উপহার দেওয়া বিড়াল ‘রুশো’ যখন হুরের মন গলিয়ে দিচ্ছে, তখন রাতের অন্ধকারে সেই রহস্যময় অতিথি আবারও ফিরে আসে। এবার তার কথায় ছিল ভালোবাসার পাশাপাশি এক অদ্ভুত অধিকারবোধ। হুর কি পারবে এই দ্বৈত পরিচয়ের রহস্য ভেদ করতে, নাকি সে আরও গভীরে জড়িয়ে পড়বে?
১৩. ভালোবাসি তোমায় | অন্ধকারের প্রথম চুম্বন
গভীর রাতে হুরের রুমে প্রবেশ করে সেই রহস্যময় অতিথি, এবার তার স্পর্ধার সীমা ছাড়িয়ে যায়। তার ঠোঁটে এঁকে দেওয়া চুম্বনে ভালোবাসার চেয়ে বেশি ছিল অধিকার আর শাস্তির ইঙ্গিত। পরদিন সকালে ফাইয়াজের করা অপমান কি রাতের সেই ঘটনার সাথে কোনোভাবে যুক্ত?
১০. ভালোবাসি তোমায় | অপেক্ষার শেষ প্রহর
ফাইয়াজের বাড়িতে কাটানো দিনটা খুনসুটিতে ভরা থাকলেও, রাতের অন্ধকারে হুরের ঘরে আবারও হানা দেয় সেই রহস্যময় ছায়ামূর্তি। তার প্রতিটি নিঃশ্বাসে মিশে থাকে হুরের জন্য তীব্র ভালোবাসা আর এক ভয়ংকর বিপদের আভাস। কে এই মানুষটি, যে হুরের এতটা কাছে থেকেও নিজেকে আড়ালে রেখেছে?
৩. ভালোবাসি তোমায় | নিঃশব্দ রাতের অতিথি
গভীর রাতে হুরের ঘুমের মাঝে এক অচেনা অতিথি এসে তার কপালে এঁকে দিয়ে যায় স্নেহের চিহ্ন আর প্রতিশোধের প্রতিজ্ঞা। পরদিন ভার্সিটিতে মুহিবের নৃশংস লাশ দেখে হুর যখন জ্ঞান হারায়, তখন তাকে আগলে ধরে একজোড়া পরিচিত হাত। যে রাতে গোপনে আসে, আর যে দিনে পর, তারা কি একই মানুষ?
