#বিরহ/বিচ্ছেদ
বিরহ/বিচ্ছেদ ট্যাগসহ পর্বসমূহ।
৩৩. ত্রিধারে তরঙ্গলীলা | অভিশাপ না আশীর্বাদ
কক্সবাজারে এসে নিধি আর অর্পণের বেড়াতে যাওয়ার খবর পেয়ে সৌধর পৃথিবী দুলে ওঠে। যে নারীকে সে ভুলতে চাইছে, সেই নারীই বারবার তার সামনে এসে দাঁড়াচ্ছে। এটা কি প্রকৃতির দেওয়া কোনো অভিশাপ, নাকি এক নতুন সূচনার আশীর্বাদ?
১৯. ত্রিধারে তরঙ্গলীলা | বেইমানের আর্তনাদ
দীর্ঘদিন পর নিধির অপ্রত্যাশিত ফোনকলে সৌধর ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরি যেন জেগে ওঠে। নিধির কান্নামাখা কণ্ঠ কি পারবে সৌধর পাথর হয়ে যাওয়া মনকে গলাতে, নাকি ঘৃণার আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যাবে তাদের বন্ধুত্বের শেষ চিহ্নটুকুও?
১৫. ত্রিধারে তরঙ্গলীলা | ধর্ষক এবং ডিভোর্স
খেলার শর্তে এক রাতের জন্য বদ্ধ ঘরে আটকা পড়ে সুহাস আর নামী। সুহাসের আগ্রাসী আচরণে যখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে, তখন নামী এক রাতের বিনিময়ে ডিভোর্স চেয়ে বসে। এই প্রস্তাবে কি সুহাসের পুরুষত্ব চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাবে?
৫১. অফিডিয়ান | হারিয়ে যাওয়া পথের বাঁকে
সাফওয়ানের বিশ্বাসঘাতকতায় ভেঙে পড়ে রুমাইশা। সে সাফওয়ানকে ছেড়ে এক অজানা পথে হারিয়ে যায়। সাফওয়ান কি পারবে তার ভুল বুঝতে পেরে রুমাইশাকে ফিরিয়ে আনতে? নাকি এই বিচ্ছেদই হবে তাদের শেষ পরিণতি?
২৩. এক বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যা | ছাদের সেই গোপন সাক্ষাৎ
অপমানে আর কষ্টে বাড়ি ফিরে এলেও দিয়ার মন শান্ত হয় না। গভীর রাতে ছাদে বিভোরের ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে সে মুখোমুখি হয় বিহানের। দিয়ার ছুড়ে ফেলা উপহার আর ভাঙা কেকের কারণ জানতে চায় বিহান। অভিমান আর যন্ত্রণার এই মুহূর্তে দিয়া কি পারবে তার মনের কথা বলতে?
১৬. এক বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যা | ভোরের অপেক্ষা এবং চূর্ণবিচূর্ণ বিশ্বাস
বিহানকে আটকানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে দিয়া ভোরবেলায় টার্মিনালে হাজির হয়। কিন্তু অভিমানের বশে বিহান এমন কিছু কথা বলে যা দিয়ার বিশ্বাসকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দেয়। বিহানের এই কঠিন রূপের আড়ালে কি সত্যিই কোনো ভালোবাসা নেই, নাকি পুরোটাই তার অভিমানের বহিঃপ্রকাশ?
১২. এক বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যা | নীল শাড়ি এবং স্রোতের চিঠি
দুই মাসের নীরবতার পর বিহানের কাছ থেকে এক অপ্রত্যাশিত পার্সেল পায় দিয়া। ভেতরে থাকা নীল শাড়ি আর একটি চিঠি তার সব অভিমান যেন ধুয়ে দেয়। চিঠিতে লেখা কথাগুলো দিয়ার মনে নতুন করে স্পন্দন জাগায়। এই দীর্ঘ নীরবতার পর বিহানের এমন রোমান্টিক প্রকাশ কি তাদের সম্পর্কের নতুন সূচনা করবে?
২৮. অঙ্গারের নেশা | অঙ্গার যখন পুড়ে ছাই
পাঁচ বছরের বিরহের যন্ত্রণা যে কতটা গভীর, তা কি প্রানেশা অনুভব করতে পারবে? সুফিয়ানের নীরব কষ্ট আর ভালোবাসার তীব্রতা কি তাদের ভাঙা সম্পর্ককে জোড়া লাগাতে পারবে?
১৯. অগোচরে তুমি | ছাদের রাতের সাক্ষী
গভীর রাতে ছাদে দিহাদ আর কলির গোপন কথোপকথন শুনে ফেলে মেহেনূর। ভালোবাসার স্বীকারোক্তি আর বিচ্ছেদের আশঙ্কায় ভরা সেই রাতে মেহেনূর কি পারবে দুটি মনকে এক করতে, নাকি নীরব দর্শক হয়েই থাকবে?
৩৪. ১৬ বছর বয়স | আমাকে ছেড়ে যাবেন না
শাওনকে ছেড়ে চলে এলেও এক মুহূর্তের জন্যও শান্তি পাচ্ছে না মিলা। তাকে হারানোর ভয়ে যখন সে ছটফট করছে, ঠিক তখনই শাওন তার সামনে এসে দাঁড়ায়। এই পুনর্মিলন কি তাদের সব ভুল বোঝাবুঝি দূর করে দেবে, নাকি এটা নতুন কোনো ঝড়ের পূর্বাভাস?
৩৩. ১৬ বছর বয়স | যদি স্বপ্ন হতো
শাওনের অবহেলা আর সহ্য করতে না পেরে মিলা বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তার এই সিদ্ধান্তে কি শাওনের কিছু আসবে-যাবে? নাকি তাদের এই অসম্পূর্ণ ভালোবাসার গল্পটা একটা দীর্ঘশ্বাসের মধ্যে দিয়েই শেষ হবে?
২৩. ১৬ বছর বয়স | স্বপ্ন ভাঙার সেই রাতে
শাওনের মায়ের মুখে ডিভোর্সের কথা শুনে মিলার পায়ের নিচের মাটি সরে যায়। যে মানুষটাকে সে ভালোবাসতে শুরু করেছে, তাকে হারানোর ভয়ে সে দিশেহারা। শাওন যখন তার সামনে দাঁড়ায়, মিলা কি পারবে তার মনের কথা বলতে, নাকি তাদের গল্পটা এখানেই শেষ হয়ে যাবে?
