#পরিচয় প্রকাশ
পরিচয় প্রকাশ ট্যাগসহ পর্বসমূহ।
১৩. যুগলবন্দী পায়রা | লকেটের বুকে গোপন সূত্র
মহুয়ার হাতের লকেটটি দেখামাত্রই ইয়ামিনের পায়ের তলার মাটি সরে যায়। যে চিঠি প্রেমিকের খোঁজ মহুয়া করছে, সে কি তবে চোখের সামনেই দাঁড়িয়ে? কিন্তু মাঝখানের সেই 'মিথ্যা' বিয়ের খবরটি কে রটিয়েছিল? সত্য প্রকাশের এই মাহেন্দ্রক্ষণে মহুয়া কি ইয়ামিনকে বিশ্বাস করবে, নাকি একেও ভাববে নতুন কোনো ছলনা?
৭. ভোরের শিশির | এক মাসের চুক্তি
হামিম আদিয়াকে এক মাসের জন্য তার বাড়িতে থাকার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়, যার বিনিময়ে মিলবে কাঙ্ক্ষিত প্রমাণ। বর্তমান সময়ে ফিরে হামিম উন্মোচন করে তার 'মা' এর আসল পরিচয়। কিন্তু সেই অভিশপ্ত রাতে জ্বলন্ত কয়লার উপর হাঁটার কারণ জানতে চাইলে হামিম কেন প্রসঙ্গ এড়িয়ে যায়?
২৬. এক চিলতে রোদ | দুঃস্বপ্ন ও পারিবারিক পরিচয়
বাবার বিপদ নিয়ে দেখা দুঃস্বপ্ন, আর সকালে ড্রয়িংরুমে ইহানের উপস্থিতি। 'চাচ্চু' ডাকেই ফাঁস হলো এক দীর্ঘদিনের পারিবারিক রহস্য। ইহান আসলে কে?
৭. বিষাক্ত অনুরাগ | রুহানির আসল পরিচয়
রোদ্দুরের গ্রামের বাড়িতে এসে তার স্ত্রী 'রুহানি'র অস্তিত্বের আশঙ্কায় তুরের অভিমান চরমে পৌঁছায়। অবশেষে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে রোদ্দুর প্রকাশ করে এক অবিশ্বাস্য সত্য—রুহানি তার স্ত্রী নয়, বরং তার দাদী, যাকে সে ছোট থেকে ভালোবেসে 'বউ' বলে ডাকে। এই বিশাল প্রতারণার পেছনের কারণ জানার পর তুর কি রোদ্দুরকে ক্ষমা করতে পারবে?
২৫. সত্যি ভালোবাসো | মুখোশের আড়ালে
কলেজ থেকে ফেরার পথে অপহৃত হয় তাহিয়া। এক অন্ধকার ঘরে সে মুখোমুখি হয় রেজোয়ান আর সেই মাস্ক পরা লোকটির। যখন সেই মুখোশ সরে যায়, তখন এমন এক চেহারা বেরিয়ে আসে যা তাহিয়ার পুরো পৃথিবীটাকেই নাড়িয়ে দেয়।
১৬. প্রেমের সাতকাহন | মুখোশের আড়ালের সেই মুখ
গোডাউনে প্রবেশ করে তূবা নীরের এক অচেনা, ভয়ংকর রূপ দেখতে পায়। ভালো মানুষের মুখোশের আড়ালে থাকা এই মানুষটিই কি তার স্বামী? যখন তূবার সব বিশ্বাস চুরমার হয়ে যায়, তখন তার ভাইয়ের অপ্রত্যাশিত আগমন কোন নতুন রহস্যের দরজা খুলে দেবে?
৪১. সঙ্গীন প্রণয়াসক্তি | অভিশপ্ত আলিঙ্গন
অনুর বিয়ের রাতে ক্রীতিকের ক্রোধের শিকার হয় অরু। অমিতের সাথে কথা বলার ‘অপরাধে’ ক্রীতিক তাকে সবার সামনে অপমান করে। কিন্তু যখন সে অরুকে নিজের স্ত্রী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়, তখন সবার মনে প্রশ্ন জাগে। এই সম্পর্কটা কি ভালোবাসা, নাকি এক ভয়ংকর অধিকারের খেলা?
২৫. সঙ্গীন প্রণয়াসক্তি | অভিশপ্ত আলিঙ্গন
অনুর বিয়ের রাতে ক্রীতিকের ক্রোধের শিকার হয় অরু। অমিতের সাথে কথা বলার ‘অপরাধে’ ক্রীতিক তাকে সবার সামনে অপমান করে। কিন্তু যখন সে অরুকে নিজের স্ত্রী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়, তখন সবার মনে প্রশ্ন জাগে। এই সম্পর্কটা কি ভালোবাসা, নাকি এক ভয়ংকর অধিকারের খেলা?
২৩. সঙ্গীন প্রণয়াসক্তি | প্রেম অথবা প্রতিশোধ
অমিতের সাথে অরুর সামান্য কথা বলায় জ্বলে ওঠে ক্রীতিকের ক্রোধের আগুন। সে অরুকে সবার সামনে নিজের স্ত্রী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়, কিন্তু তার আচরণে ভালোবাসা নয়, ফুটে ওঠে তীব্র অধিকারবোধ আর প্রতিশোধের স্পৃহা। ক্রীতিকের এই দ্বৈত রূপের পেছনে কোন রহস্য লুকিয়ে আছে?
৫. তেইশান্তে প্রেমালোক | অপরিচিতার আহ্বান
হতাশ হয়ে রায়ান যখন তার রহস্যময়ীকে খুঁজছে, তখনই '২৩' এর হুমকি আবার ফিরে আসে। পরদিন লাইব্রেরিতে গিয়ে সে অবাক হয়ে দেখে, সেই মেয়েটি তার কেস সম্পর্কিত বইটিই পড়ছে। মেয়েটি নিজেকে মনোবিজ্ঞানী ‘অপরিচিতা’ পরিচয় দিয়ে রায়ানের সাহায্য চায়। এটা কি শুধুই কাকতালীয়, নাকি কোনো গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ?
২৫. প্রেমের পরশ | শেষ স্বীকারোক্তি
মৃত্যুর সাথে লড়াই করে জ্ঞান ফিরে পায় নিরুর সৎ মা লুতফা। তার শেষ স্বীকারোক্তিতে বেরিয়ে আসে নীলাশা হত্যার পেছনে থাকা মূল ষড়যন্ত্রকারীর নাম। এই স্বীকারোক্তি কি পারবে রাকিব আর তার মাকে আইনের আওতায় আনতে?
৮. অনুরাগ | বোনের পরিচয়, নাকি নতুন ফাঁদ?
পুলক সেই মেয়েটিকে বাসায় নিয়ে এসে দাবি করে, সে তার হারিয়ে যাওয়া বোন। কিন্তু ঈষাণের এক ফোন কলে বেরিয়ে আসে ভয়ংকর তথ্য—পতিতালয়ের সর্দারনী জানায়, বোন হিসেবে নয়, বিয়ের জন্য পুলক মেয়েটিকে কিনে এনেছে। কোনটা সত্যি? পুলকের বোনের গল্প, নাকি সর্দারনীর দাবি?
